সুন্দরবনের চারপাশে ১৫৪ টি শিল্প কারখানা! বিশ্ব ঐতিহ্যের তকমা ধরে রাখতে সময় আছে মাত্র ১ বছর।

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাঙ্গালী জাতির অহংকার। প্রাকৃতিক সৌন্দযের্র দিক থেকে হিসেব করলে ভারত বাংলাদেশ বিভাগের সময় তৎকালীন বাঙ্গালী মুসলিমদের কিছু ধর্মীয় গোড়ামীর কারনে ইংরেজরা তাদের উপর ক্ষিপ্ত ছিল। আর সে কারনেই হয়তো বেছে বেছে ভারতীয় অংশে সমস্ত পাহাড় আর ঝর্নার মত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য রেখে বাংলাদেশকে একেবারে নিস্প্রান সমতল জমি বরাদ্দ করেছিল ইংরেজরা। যাই হোক ইতিহাস ঘাটলে হয়তো এই ভারত বাংলাদেশ দেশ বিভক্তির পেছনে আসল রহস্যটা বের করা যাবে। এই দেশের প্রতি এত অবহেলার পরও আমরা এমন কিছু পেয়েছি যা আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য কে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে। আমাদের গর্ব আর আমাদের অহংকার সবকিছু্ই ১. পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ২. পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন কে ঘিড়ে। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে আমাদের সুন্দরবন। কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেসী মহলের কারনে এবং সরকারের কিছু বির্তকিত সিদ্ধান্তের কারনে আজ হুমকির মুখে আমাদের সুন্দরবন।বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির তথ্য মতে, সুন্দরবনের চারপাশে প্রায় ১৫৪ টি ছোট বড় শিল্প কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্বক ক্ষতির কারন হতে পারে রামপালের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। বিশ্ব ঐতিহ্যের ১৬.৩ ধারা অনুযায়ী বিশ্ব ঐতিহ্যের পাশে বড় কোন ধরনের শিল্প কারখানা হতে দেওয়া যাবেনা। সে হিসেবে বাংলাদেশ স্পস্ট ভাবে এই ধারাটির লঙ্ঘন করেছে। তাই বাংলাদেশকে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি আগামী ২০২০ সাল পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এর মধ্যে সব ধরনের সমীক্ষা শেষ করে যদি প্রমান পাওয়া যায় যে সুন্দরবনের উপর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং শিল্প কারখানার প্রভাব পড়ছে তাহলে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ঝুকিপূর্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তভুক্ত করা হবে।

Leave a Reply